Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

তুঁত চাষঃ

পলু পালনঃ

প্রশিক্ষণঃ

ঋণঃ

তথ্য প্রদানঃ

কিভাবে তুঁত চাষ করবেনঃ

  • স্থানীয় মাঠ কর্মী/রেশম প্রতিপাদক/টেকনিক্যাল সুপারভাইজার এর সাথে যোগাযোগ করা;
  • তুঁতচারা রোপনের উপযোগী জমি নির্ধারণ;
  • কোন ধরনের গাছ লাগাবে তা নির্ধারণঃ যেমন-(১) বুশ প্লান্টেশন (২) লোকট প্লান্টেশন (৩) ট্রি প্লান্টেশন।
  • তুঁতচারা সরবরাহের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী চাহিদা উপস্থাপন;
  • রোপন মৌসুমে তুঁতচারা সরবরাহ করন;
  • রোপনকৃত তুঁতগাছ থেকে উৎপাদিত পাতা দিয়ে নিজস্বভাবে পলুপালন করা কিম্বা অন্য কোন বসনীর নিকট পাতা বিক্রি;
  • কিভাবে পলু পালন করবেনঃ

  • স্থানীয় মাঠ কর্মীর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডিম সংগ্রহ করতে হবে;
  • ডিম মুখানোর পরে ধাপ অনুযায়ী পলুকে পাতা খাওয়ানো এবং পরিচর্যার দিক নির্দেশনা স্থানীয় মাঠকর্মীর নিকট থেকে গ্রহন করতে হবে;
  • পলু পালন চলাকালীন সময়ে পলু রোগবালাই না হওয়ার জন্য সর্তকতার সহিত পলুপালনের দিক নির্দেশনা গ্রহন;
  • ২৫-২৬ দিনের মাথায় মাঠকর্মীর পরামর্শ মোতাবেক গুটি বিক্রয়ের ব্যবস্থা নিতে হবে।
  • তুঁতচাষ ও পলুপালনে রেশম বোর্ডের সেবাঃ

    রেশম সম্প্রসারণ পরিদর্শকের কার্যালয়ে নিয়োজিত মাঠকর্মীগণ প্রতিপক্ষে কমপক্ষে ৭/৮ দিন মাঠ পরিদর্শন করবেন। অবশিষ্ট কর্মদিবসে তার কার্যালয়ে অবস্থান করবেন।

    তুঁতচাষ ও পলুপালন সহায়তাঃ

  • রেশম চাষে আগ্রহী ব্যক্তিদের উদ্ধুদ্ধকরণের মাধ্যমে রেশম চাষে সমৃক্তকরণ।
  • তুঁতচাষের জন্য সহান নির্বাচন, তুঁত চারার চাহিদা নিরূপণ, তুঁতচারা রোপন ও পরিচর্যা কাজে হাতে কলমে সহায়তা প্রদান।
  • রেশম চাষীদের নিকট থেকে রেশম ডিমের চাহিদা সংগ্রহ ও সে অনুযায়ী সরবরাহের ব্যবস্থাকরণ।
  • মাঠ পর্যায়ে পলুপালন শুরুর আগে থেকে শেষ পর্যন্ত নিবিড় যোগাযোগ ও তদারকির মাধ্যমে চাষীদের কারীগরী উপদেশ দেয়া।
  • পলুঘর বিশোধন ও পলুপালনকল্পে রোগব্যাধি দেখা দিলে তা নিরাময়ের জন্য বিশোধন সামগ্রী প্রদান সহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান।
  • প্রশিক্ষণের জন্য রেশম চাষী নির্বাচন ।
  • মাঠ পর্যায়ে তুঁতচাষ কিংবা পলুপালনের আকষ্মিকভাবে কোন রোগ, বিপর্যয়, কিংবা এমন কোন বিষয় যা সম্প্রসারণ কর্মকান্ডকে ব্যহত করে এমন পরিস্থিতি সর্ম্পকে মাঠকর্মী তাৎক্ষনিকভাবে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।
  • রেশম চাষীদের উৎপাদিত রেশম গুটি বাজারজাতকরনে সহায়তা প্রদান করা।
  • চাষীদের নিকট সরবরাহকৃত তুঁতচারা ও রেশম ডিমের মূল্য আদায়ের ব্যবস্থাকরন।
  • কিভাবে প্রশিক্ষণ নেবেনঃ

    রেশম বোর্ড বছরের বিভিন্ন সময় তুঁতচাষ/পলুপালন ও রিলিং এর উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে

  • তুঁতচাষী ও বসনীগনকে তুঁতচাষ ও পলুপালনের উপর হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়;
  • তুঁচচাষ ও পলুপালনে ২০-২৫ দিনের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়;
  • তুঁতচাষ ও পলুপালন বন্দ ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়;
  • প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য ব্যক্তিগত/সংস্থা সংশ্লিষ্ট এলাকার ম্যানেজার (সম্প্রসারণ) এর নিকট আবেদন করতে হবে;
  • আবেদনের ভিত্তিতে প্রার্থ বাছাই চুড়ান্ত করণ শেষে প্রশিক্ষণ সিডিউল অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া হয়;
  • আবেদনকারী প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার মাঠকর্মীর মাধ্যমে অবহিত করা হয়;
  • প্রশিক্ষনার্থীকে প্রশিক্ষণের জন্য ভাতা প্রদান করা হয়;
  • প্রশিক্ষণ গ্রহন শেষে প্রশিক্ষণার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়;
  • প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর প্রশিক্ষণার্থীদের স্বল্প মুল্যে তুঁতচারা বিতরণ, রোপন সহায়তা ও পলু পালনে ডালা, চন্দ্রকী, ঘড়া এবং পলুঘর তৈরীতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে।
  • ঋণ প্রদান কর্মসূচীঃ

  • সংশ্লিষ্ট রেশম চাষীর নিকট থেকে পূরণকৃত ঋণ আবেদন ফরম যথাযথ কর্তপক্ষের অনুমোদনের জন্য প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
  • অনুমোদিত ঋণ অর্থ উত্তোলনের ব্যাপারে ঋণ গ্রহীতাকে বিভিন্ন সহায়তা করা। যেমন ব্যাংকে হিসাব খোলার ব্যবস্থাকল্পে বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করা।
  • প্রদানকৃত ঋণ অর্থের কিস্তি মাঠকর্মী কর্তৃক নিয়মিত আদায়করন এবং ব্যাংক জমা প্রদানের ব্যবস্থাকরন।
  • রেশম চাষের বিপরীতে ঋণ গ্রহীতার করণীয়ঃ

  • ঋণ গ্রহীতা রেশমচাষী সংশ্লিষ্ট এলাকার মাঠকর্মীর কার্যালয়ে (রেশম সম্প্রসারণ পরিদর্শকের কার্যালয়ে) গমন করবেন এবং ঋণ গ্রহনের বিষয়ে পরামর্শ নিবেন।
  • ঋণ আবেদন ফরম সংগ্রহ করবেন।
  • ঋণ আবেদন ফরম যথাযথ ভাবে পূরন করে মাঠকর্মীর কার্যালয়ে জমা প্রদান।
  • ঋণ গ্রহনের পূর্বে ১৫০/- টাকা ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে ঋণ গ্রহীতা চুক্তিনামা সম্পাদন করবেন।
  • অনুমোদিত ঋণ অর্থ প্রেরণকারী ব্যাংক সংশ্লিষ্ট চাষী ব্যাংকে হিসাব খুলবেন ।
  • ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করবেন।
  • পলুপালন মৌসুমে সম্প্রসারণ কেন্দ্রে অফিস থেকে সুদমুক্ত ঋণ গ্রহনের জন্য আবেদন।
  • স্বল্প মেয়াদী সুদমক্ত ঋণ গ্রহনের ক্ষেত্রে পলুপালন শেষে ঋণের কিস্তি প্রদান।
  • কিভাবে তথ্য সেবা পাবেনঃ

  • তথ্য অধিকার আইন'২০০৯ এর আওতায় বাংলাদেশের সকল নাগরিক তথ্য লাভের অধিকারী।
  • কোন ব্যাক্তি এই আইনের অধীন তথ্য প্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট তথ্য চাহিয়া লিখিতভাবে বা ইলেক্ট্রনিক্স মাধ্যমে বা ই-মেইলে অনুরোধ করতে পারবেন।
  • তথ্য প্রাপ্তির জন্য নিদ্দিষ্ট ফরম্ অত্র কার্যালয়ের ওয়েব
  • সাইট হতে

    From

    ডাউনলোড অথবা রেশম বোর্ড প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর হতে ফরম সংগ্রহ করা যাবে
  • তবে নির্ধারিত ফরম সহজলভ্য না হলে ফরম-এ উল্লিখিত তথ্য সন্নিবেশ করে সাদা কাগজে বা ক্ষেত্রমত ইলেকট্রিক্স মিডিয়া বা bsb.raj.bd@gmail.com ই-মেইলে তথ্য প্রাপ্তির জন্য অনুরোধ করা যাবে।
  • ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করতঃ তথ্য প্রাপ্তির জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করতে হবে।
  • দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদন পত্রটি প্রাপ্তির তারিখ হতে অনধিক ২০ কার্যদিবসের মধ্যে অনুরোধকৃত তথ সরবরাহ করবে। তবে অনুরোধকৃত তথ্যের সাথে একাধিক তথ্য প্রদান ইউনিট বা কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টতা থাকলে অনধিক ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে উক্ত অনুরোধকৃত তথ্য সরবরাহ করবে।
  • দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা কোন কারণে তথ্য প্রদানে অপারগ হলে অপারগতার কারণ উল্লেখ করে আবেদন প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তিনি উহা অনুরোধকারীকে অবহিত করবেন।